সিপিএম নেতা ও বর্ষীয়ান আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়িতে হামলার ঘটনায় রাজ্য রাজনীতিতে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কে বা কারা হামলা চালিয়েছে, আর কেন হামলা হয়েছে, তা এখনও পরিষ্কার নয়। তবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও প্রাক্তন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের দাবি, হিন্দুধর্ম নিয়ে কটূক্তির কারণেই এই হামলা হয়েছে।
সুকান্ত বলেন, “যতদূর শুনেছি, এক মাতাল মদ খেয়ে বোতল ছুড়েছিল। উনি বলেছেন বন্দুকের লাইসেন্স নেবেন, আর যারা আসবে তাদের গুলি করবেন। বিকাশবাবু তো শুধু হিন্দুধর্মের কটূক্তি করেন। অন্য কোনও ধর্ম নিয়ে কটূক্তি করলে বোতলের বদলে বোমা, একে-৪৭-এর গুলি বা আরডিএক্স পড়ত।”
বৃহস্পতিবার বিজেপির ডায়মন্ড হারবার সাংগঠনিক জেলার বৈঠকে সুকান্ত যোগ দেন। দুর্গাপুজোয় বিজেপির বুক স্টল, সাংগঠনিক কার্যক্রম, আগামিদিনের কর্মসূচি ঠিক করা, সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করা এবং স্থানীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করেই বৈঠকটি হয়। বৈঠকে দলের অনেকেই ডাক না পাওয়া প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “এটি কর্মীদের বৈঠক নয়। কয়েকজন বিশেষ পদাধিকারীকে নিয়ে এই বৈঠক ডাকা হয়েছিল, এবং যাঁদের ডাকা হয়েছিল তাঁরা সকলেই উপস্থিত ছিলেন।”
হামলার ঘটনার পর বিকাশবাবুর পাশে দাঁড়িয়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ নিয়ে সমালোচনা করেন সুকান্ত। তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অবস্থা এখন গায়ে মানে না মোড়লের মতো। সিপিএমের প্রতি ভালোবাসা দেখাতে গিয়ে হয়তো এবার মমতাপন্থী টিএমসি (এম)-এর অর্থ হবে টিএমসি (মার্কসবাদী)।”


