লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের মতোই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার ছিল বিজেপির অন্যতম নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি। এই প্রকল্পে আবেদনকারী সকল মহিলাকে প্রতি মাসে ৩০০০ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বঙ্গ বিজেপি। সেই প্রতিশ্রুতির দিকে এখন তাকিয়ে রয়েছেন রাজ্যের মহিলারা। বিজেপি নেত্রী ও মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জানিয়েছেন, ১ জুন থেকে শুরু হবে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার।
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের জন্য আবেদন করতে চাইলে প্রয়োজন হতে পারে কিছু নথি, যেমন:
১.আধার কার্ডের জেরক্স কপি,
২.ভোটার কার্ডের জেরক্স কপি,
৩.রেশন কার্ডের জেরক্স কপি,
৪.ব্যাংকের পাসবুকের জেরক্স কপি
৫.সম্প্রতি তোলা পাসপোর্ট সাইজের একটি রঙিন ছবি।
“অন্নপুর্ণা ভান্ডারের” জন্য অনলাইনে আবেদন করার প্রক্রিয়া এখনও চালু হয়নি। এখনো কোনো অনলাইন পোর্টাল বা অফলাইনে অর্থাৎ সরকারের কোনো অফিস থেকে ফর্ম বিতরণ শুরু হয়নি।
আবেদনকারীর অবশ্যই পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হওয়া দরকার। অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারে আবেদন করতে পারবে কেবলমাত্র পরিবারের মহিলারা, অর্থাৎ এই প্রকল্পটি শুধুমাত্র মহিলাদের জন্য তৈরি। আবেদনকারীর নিজের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে, কারণ টাকা ডিবিটি (DBT)-র মাধ্যমে পাঠানো হবে।

বিজেপি নেত্রী ও মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের কথায়, “এটার জন্য যারা পাওয়ার যোগ্য, তারা পাবেন, আর তার আগে ভেরিফিকেশন হবে। কারণ, অনেক ভুয়ো লোক পাচ্ছেন, আর যাদের পাওয়া উচিত, তারা পাচ্ছেন না।”
কীভাবে হবে “অন্নপুর্ণা ভান্ডারের” বাছাই প্রক্রিয়া?
মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, “যারা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাচ্ছেন, সবাই অন্নপূর্ণার ভাণ্ডারও পাবেন। সব টাকা ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফারের মাধ্যমে দেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, ১ জুন থেকে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা জমা হবে।এক্ষেত্রে অগ্নিমিত্রা পাল বলেন ,” আগে আমরা একটি সমীক্ষা করব—SIR এ যাদের নাম কাটা গেছে, তাঁরা কেউ যদি পান, তাহলে সেটা প্রাপ্য নয়। যিনি মারা গেছেন বা দেশের নাগরিক নন, তাঁর পাওয়ার কথা নয়। তাই দেখা হবে, বাদ পড়াদের মধ্যে কতজন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাচ্ছেন, তাঁদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে।”


