আরজি করে জোড়া ঘটনা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের কড়া অবস্থান চান শুভেন্দু অধিকারী !
বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সুপ্রিম কোর্টের আদেশকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি আরজি কর হাসপাতালে ৯ ও ১৪ অগস্ট রাতে ঘটে যাওয়া ঘটনার জন্য রাজ্য সরকার ও কলকাতা পুলিশের ভূমিকা নিয়ে সর্বোচ্চ আদালতের পর্যবেক্ষণ সামনে আনার দাবি করেছেন। বিধানসভার বাইরে এক সাংবাদিক বৈঠকে নন্দীগ্রামের বিধায়ক মহিলা চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় সুপ্রিম কোর্টের রায় নিয়ে মতামত প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্ট চিকিৎসক ও চিকিৎসা পরিষেবার সঙ্গে জড়িত সমাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জোর দিয়েছেন, যাতে আরজি কর হাসপাতালের মতো ঘটনা পুনরাবৃত্তি না হয়।
শুভেন্দু আরও বলেন, ঘটনার দিন ও ১৪ তারিখ মধ্যরাতে ঘটনার জন্য আরও কঠোর পদক্ষেপের প্রত্যাশা করছেন তিনি। তিনি আশাবাদী যে সুপ্রিম কোর্টে বিষয়টির শুনানি হবে বৃহস্পতিবার। তিনি অভিযোগ করেন যে, ফিরহাদ হাকিম ও অতীন ঘোষেরা হাজার হাজার গুন্ডাকে টাকা দিয়ে সংগঠিত করে, মদ খাইয়ে আরজি করে প্রমাণ লোপাট এবং প্রতিবাদী ডাক্তার ও ডাক্তারি ছাত্রদের উপর বর্বরোচিত হামলা চালিয়েছে।
বিরোধী দলের নেতা আশা করেন, “ইএনটি জরুরি বিভাগ লণ্ডভণ্ড করা হয়েছে, ওষুধ চুরি হয়েছে। আশা করি এই বিষয়েও পদক্ষেপ করা হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসন এবং কলকাতা পুলিশ, বিশেষ করে যারা চক্রান্তে জড়িত, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত। যাতে কোনও সরকার বা আধিকারিক প্রমাণ নষ্ট করে এমন ঘটনা ধামাচাপা দিতে না পারে, সে জন্য সংগঠিত অপরাধের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।”
সম্প্রতি রাজ্য সরকার সরকারি মহিলা কর্মচারীদের জন্য কিছু নতুন পদক্ষেপ ঘোষণা করেছে। এই বিষয়ে বিরোধী দলনেতা বলেন, “দেশে মহিলাদের জন্য এক-তৃতীয়াংশ সংরক্ষণ কার্যকর হওয়ার পর, পশ্চিমবঙ্গের সরকার যদি বলে যে মহিলাদের রাতে ডিউটি না করা এবং কম সময়ের মধ্যে ডিউটি করা ভাল, তাহলে তা নারী স্বাধীনতা ও নিরাপত্তার প্রতি সরকারের অবহেলা প্রকাশ করে। এটি সরকারের মহিলাদের নিরাপত্তা দেওয়ার ব্যর্থতার প্রমাণ।” তিনি আরও বলেন, “সুপ্রিম কোর্টের গঠিত টাস্কফোর্স স্বাগত জানানো হলেও, রাজ্য সরকারের ঘোষণা তালিবানি ফতেয়ার মতো।” আরজি কর-কাণ্ডের পরিপ্রেক্ষিতে, নবান্ন থেকে মহিলাদের নিরাপত্তার জন্য ১৭ দফা পদক্ষেপ ঘোষণা করা হয়েছে, যার মধ্যে রাতের শিফ্ট থেকে মহিলাদের অব্যাহতি দেওয়ার চেষ্টা অন্তর্ভুক্ত আছে। এই ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টা আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় করেছেন।
বিরোধী দলের নেতা আশা করেন, “ইএনটি জরুরি বিভাগ লণ্ডভণ্ড করা হয়েছে, ওষুধ চুরি হয়েছে। আশা করি এই বিষয়েও পদক্ষেপ করা হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসন এবং কলকাতা পুলিশ, বিশেষ করে যারা চক্রান্তে জড়িত, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত। যাতে কোনও সরকার বা আধিকারিক প্রমাণ নষ্ট করে এমন ঘটনা ধামাচাপা দিতে না পারে, সে জন্য সংগঠিত অপরাধের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।”
সম্প্রতি রাজ্য সরকার সরকারি মহিলা কর্মচারীদের জন্য কিছু নতুন পদক্ষেপ ঘোষণা করেছে। এই বিষয়ে বিরোধী দলনেতা বলেন, “দেশে মহিলাদের জন্য এক-তৃতীয়াংশ সংরক্ষণ কার্যকর হওয়ার পর, পশ্চিমবঙ্গের সরকার যদি বলে যে মহিলাদের রাতে ডিউটি না করা এবং কম সময়ের মধ্যে ডিউটি করা ভাল, তাহলে তা নারী স্বাধীনতা ও নিরাপত্তার প্রতি সরকারের অবহেলা প্রকাশ করে। এটি সরকারের মহিলাদের নিরাপত্তা দেওয়ার ব্যর্থতার প্রমাণ।” তিনি আরও বলেন, “সুপ্রিম কোর্টের গঠিত টাস্কফোর্স স্বাগত জানানো হলেও, রাজ্য সরকারের ঘোষণা তালিবানি ফতেয়ার মতো।” আরজি কর-কাণ্ডের পরিপ্রেক্ষিতে, নবান্ন থেকে মহিলাদের নিরাপত্তার জন্য ১৭ দফা পদক্ষেপ ঘোষণা করা হয়েছে, যার মধ্যে রাতের শিফ্ট থেকে মহিলাদের অব্যাহতি দেওয়ার চেষ্টা অন্তর্ভুক্ত আছে। এই ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টা আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় করেছেন।


