- জোর করে ভিতরে ঢুকে তদন্তে বাধা,ফাইল ছিনতাই! মুখ্যমন্ত্রী, পুলিশের ডিজির বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে অভিযোগ ইডির!
- আইপ্যাক দফতরে ED র অভিযানে মমতার নেতৃত্বে নথি ছিনতাই নিয়ে হাই কোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ ইডির!
- ‘তোদের বাবা নরেন্দ্র মোদি এলেও বাঁচাতে পারবেনা ‘, লাগাতার হুমকি, বাংলাদেশে আবার হত্যা হিন্দু যুবককে !
- মোল্লা ইউনুসের বাংলাদেশে ফের হিন্দুহত্যা ! তিন সপ্তাহে তৃতীয় হিন্দু খুন বাংলাদেশে।
- আফগানিস্তানে ফের পাকিস্তানি হামলা! ভারতে বসে পাকিস্তানকে চরম হুঁশিয়ারি তালিবান মন্ত্রীর !
- ‘কবে থেকে রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন চালু হতে চলেছে ‘! শর্ত ও সময় বেঁধে হুঁশিয়ারি শুভেন্দু অধিকারীর!
- গণবিদ্রোহের দাবি মেনে নিয়ে পদত্যাগ করলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি!
- শুল্ক চাপিয়ে উল্টো হাঁসফাঁস দশা ‘অহঙ্কারী’ ট্রাম্পের,মুক্তি পেতে ফের মোদীর শরণে,কিন্তু ফোনই তুলছেন না প্রধানমন্ত্রী?
Author: প্রথম খবর ডিজিটাল ডেস্ক
প্রথম খবর হলো প্রথম খবর ডিজিটাল মিডিয়ার একটি প্রধান সহযোগী ব্র্যান্ড,যা অর্ধ কোটি বাঙালির পছন্দ।এটি একটি বাংলা ভাষায় অনলাইন সংবাদ মাধ্যম , যা রাজনীতি, খেলা, বিনোদন, প্রযুক্তি এবং স্থানীয় খবরের সর্বশেষ খবর প্রদান করে। এটি বাংলা পাঠকদের দ্রুত এবং সঠিক খবর পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে।
ভারতে আশ্রয় চেয়ে সীমান্তে জয় শ্রীরাম স্লোগান বাংলাদেশি সংখ্যালঘুদের !গরম বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পরেও সংখ্যালঘুরা নিরাপত্তা নিয়ে নিশ্চিন্ত হতে পারছেন না। তারা সীমান্তে দাঁড়িয়ে ভারতের আশ্রয় চাইছেন। শুক্রবার কোচবিহারের সীমান্তে এমন দৃশ্য দেখা গেছে। শীতলকুচির পাঠানতুলি গ্রামের কাঁটাতারের অপর পাশে বাংলাদেশি শরণার্থীরা ভিড় জমিয়েছেন। তারা সেখানে দাঁড়িয়ে ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি তুলছেন। এছাড়াও, তাদের মধ্যে কেউ কেউ পদচ্যুত প্রধানমন্ত্রী হাসিনা এবং ভারতের জয়গান করছেন। সীমান্তের জলাশয়ের মাঝে দাঁড়িয়ে সংখ্যালঘু হিন্দুরা দাবি করছেন, “আমরা ভারতের আশ্রয় চাই।”এপারে রয়েছে কোচবিহারের শীতলকুচির পাঠানতুলি গ্রাম, ওপারে লালমণিরহাট। মাঝখানে জলাশয়ের পাশ দিয়ে বিস্তৃত কাঁটাতার। গত শুক্রবার, সেই জলাশয়ে নেমে এপারে আসতে গিয়ে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী গ্রামের সংখ্যালঘু…
অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ, কমিটি গঠন ভারত সরকারের,’ওপারে থাকা হিন্দুদের’ জন্য বড় বার্তা অমিত শাহের!উত্তপ্ত বাংলাদেশের পরিস্থিতির জন্য ভারত সরকার একটি কমিটি গঠন করেছে। ‘ইন্দো-বাংলাদেশ সীমান্তের পরিস্থিতির উপর নজরদারি করবে বিএসএফের এডিজি, ইস্টার্ন কমান্ড। বাংলাদেশে অবস্থিত সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ রাখবে এই কমিটি’, টুইট করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।In the wake of the ongoing situation in Bangladesh, the Modi government has constituted a committee to monitor the current situation on the Indo-Bangladesh Border (IBB). The committee will maintain communication channels with their counterpart authorities in Bangladesh to ensure…— Amit Shah (@AmitShah) August 9, 2024 জলের…
প্রকাশ্যে এলো শেখ হাসিনার ভয়ঙ্কর জেল ‘আয়নাঘর’ এর কাহিনী!বিরোধীদের তুলে এনে অত্যাচার করা হতো এখানে!বাংলাদেশে সাম্প্রতিক গণবিক্ষোভের পরিপ্রেক্ষিতে এবং আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর, ‘আয়নাঘর’ নামক একটি শব্দ সামাজিক মাধ্যম থেকে সংবাদ মাধ্যমে প্রচলিত হতে শুরু করেছে। এই শব্দটি যেভাবে সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ পাচ্ছে, তার পেছনে যেন অবিশ্রান্ত ঘৃণা এবং ভীতি লুকিয়ে আছে। ‘আয়নাঘর’ আসলে কী?’আয়নাঘর’ মূলত আওয়ামী আমলের ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্স (ডিজিএফআই) দ্বারা পরিচালিত একটি গোপন বন্দিশালা। এটি শেখ হাসিনার শাসনকালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং সাধারণত সরকার-বিরোধী চক্রান্তে জড়িত সন্দেহভাজনদের আটকে রাখা হতো। উল্লেখ্য, ডিজিএফআই হলো সে দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি গোয়েন্দা সংস্থা।৬ অগস্ট তারিখে, ব্যারিস্টার আহমেদ বিন…
বাংলাদেশে হিন্দু এবং অন্যান্য সমস্ত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে!ড:ইউনুসকে বার্তা নরেন্দ্র মোদীর!বাংলাদেশে দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে একটি অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়েছে, যার প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে নোবেল পুরস্কারজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস দায়িত্ব নিয়েছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত এক শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ পড়িয়েছেন। এই অনুষ্ঠানে অন্তর্বর্তী সরকারের অন্যান্য ১৬ জন উপদেষ্টাও শপথ নিয়েছেন, যাদের মধ্যে আছেন সালেহ উদ্দিন আহমেদ, ড. আসিফ নজরুল, আদিলুর রহমান খান এবং সৈয়দা রেজওয়ানা হাসান সহ প্রখ্যাত ব্যক্তিত্বরা।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে তার নতুন দায়িত্বের জন্য শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, ‘আমি আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। আমরা আশা করি…
প্রয়াত রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য !প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের প্রয়াণ ঘটেছে। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। পাম অ্যাভিনিউয়ের নিজের বাড়িতেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। পরিবারের সূত্র অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে ফুসফুসের সংক্রমণে ভুগছিলেন তিনি। গতকাল থেকে তাঁর শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যায়। আজ সকাল ৮টা ২০ মিনিটে তাঁর মৃত্যু হয়।রাজ্যের রাজনীতিতে এক নক্ষত্রের পতন ঘটেছে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের (Buddhadeb Bhattacharjee) মৃত্যু হয়েছে, যিনি ৮০ বছর বয়সে ছিলেন। ২০০১ থেকে ২০১১ পর্যন্ত, তিনি টানা ১১ বছর ধরে মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি অসুস্থ ছিলেন এবং COPD নামক ফুসফুসের সমস্যায় ভুগছিলেন। আজ সকাল ৮টা ২০ মিনিটে পাম অ্যাভিনিউতে…
জলপাইগুড়ি সীমান্তে অনুপ্রবেশের প্রচেষ্টায় আটক ১২০০ বাংলাদেশি! অনুপ্রবেশ রুখল BSFএকদিকে অশান্তির আগুন জ্বলছে, অন্যদিকে অনুপ্রবেশের প্রচেষ্টা চলছে। জলপাইগুড়ির মানিকগঞ্জ সীমান্তে প্রায় ১২০০ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে বিএসএফ আটক করেছে। চিলডাঙা গ্রামের জিরো পয়েন্টে কাঁটাতার না থাকায় অনুপ্রবেশের চেষ্টা হয়েছিল। বিএসএফ সীমান্ত পেরোনোর আগেই তাদের আটকে দিয়েছে এবং অনুপ্রবেশ রোধে গ্রামে গ্রামে সতর্কতা বাড়াচ্ছে।বিএসএফ-এর ৯২ ব্যাটেলিয়ানের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমান্ড্যান্ট মনোজ কুমার গ্রামবাসীদের সঙ্গে বৈঠক করে সচেতন করেছেন এবং সবদিকে নজর রাখার এবং নতুন লোক দেখলে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। মঙ্গলবার জলপাইগুড়ির খারিজা বেরুবাড়ি নতুন সর্দার পাড়ায় গ্রামবাসীদের সঙ্গে বিএসএফ আধিকারিকরা বৈঠক করেছেন।বাংলাদেশে বর্তমানে অরাজকতা বিরাজ করছে। এর ফলে বাংলাদেশ থেকে ভারতে অনুপ্রবেশের সম্ভাবনা ছিল…
শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর এখন কি আরও বিপদের মুখে বাংলাদেশের হিন্দুরা?বর্তমান অশান্তি এবং শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পরিপ্রেক্ষিতে, বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা কি পুনরায় বিপদের মুখে পড়ছে? পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১১ সালের জনগণনা মোতাবেক, বাংলাদেশে হিন্দু জনসংখ্যা আট শতাংশে নেমে এসেছে। বিএনপির শাসনামলে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচারের অভিযোগ বারবার উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে, ভারত বাংলাদেশের পরিস্থিতির উপর গভীর নজর রাখছে।কোটা সংস্কারের দাবিতে শুরু হওয়া আন্দোলন পরিবর্তিত হয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগের দাবিতে পরিণত হয়। এর ফলে বাংলাদেশে হাসিনা সরকারের পতন ঘটে। শেখ হাসিনা দেশ ত্যাগ করতে বাধ্য হন। বর্তমানে পরিস্থিতি সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং শীঘ্রই একটি অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করবে।ভারতবন্ধু হিসেবে পরিচিত হাসিনা…
বাংলাদেশে হাসিনা সরকারের পতনের পিছনে পাকিস্তান-আমেরিকা? চাঞ্চল্যকর দাবি হাসিনা পুত্রের!বাংলাদেশে শেখ হাসিনার সরকার পতিত হয়েছে। হাসিনা দেশ ত্যাগ করে ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন। তাঁর পুত্র সজীব ওয়াজেদ মনে করেন, বাংলাদেশের অশান্তির পেছনে বিদেশি শক্তির হাত রয়েছে। তাঁর ইঙ্গিত অনুযায়ী, বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতির জন্য আমেরিকা দায়ী হতে পারে, যারা এই গেমপ্ল্যান তৈরি করেছে। হাসিনার পুত্র আশঙ্কা করেছেন যে, এর জন্য পাকিস্তানের ভূমিকা থাকতে পারে।সজীব ওয়াজেদ বলেছেন, ‘আমি নির্দিষ্ট করে বলতে পারব না কে এই কাজটি করেছে। তবে আমাদের সন্দেহ হচ্ছে যে এর পেছনে পাকিস্তান অথবা আমেরিকা জড়িত থাকতে পারে। কে জানে… পাকিস্তানের এই কাজ করার পেছনে কোনো উদ্দেশ্য থাকতে পারে। তারা চায়…
বাংলাদেশ পরিস্থিতি নিয়ে জয়শঙ্কর, ডোভালের সঙ্গে বৈঠক অমিত শাহের, সীমান্তের নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা!বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সাথে বৈঠক করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সূত্র অনুযায়ী, হাসিনা সরকারের পতনের পরে বাংলাদেশে ভারতীয় নাগরিকদের অবস্থা এবং ভারতের সীমান্তের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশ সীমান্তে ইতিমধ্যেই সতর্কতা জারি করা হয়েছে।মঙ্গলবার সকালে বাংলাদেশ পরিস্থিতি নিয়ে একটি সর্বদল বৈঠক করেছেন জয়শঙ্কর, যেখানে সংসদের সব দলের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। জয়শঙ্কর জানিয়েছেন যে, হাসিনা বর্তমানে দিল্লিতে আছেন এবং তিনি জরুরি ভিত্তিতে ভারতে অস্থায়ী আশ্রয় চেয়েছিলেন। মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হাসিনা কে ভারত সরকার কিছু সময় দিয়েছে, এবং তার পরবর্তী পদক্ষেপ কী…
শেখ মুজিবর রহমানের ৩২ নম্বর ধানমন্ডির বাড়ি হাসিনা বিরোধীদের আগুনে পুড়ে ছাই হলো !সিঁড়ির মাঝে রাখা ছিল তাঁর বুলেটবিদ্ধ দেহের সাদা-কালো ছবি। পাঁচ দশক পূর্বে বাংলাদেশের রক্তাক্ত পরিবর্তনের সময় সেখানেই শেখ মুজিবুর রহমানের দেহ গুলিবিদ্ধ হয়েছিল। মুজিবের কন্যা হাসিনা, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর, ৩২ নম্বর ধানমন্ডির বাড়িটিকে একটি সংগ্রহশালায় পরিণত করেন। সোমবার, তাঁর সরকারের পতনের পর, উন্মত্ত জনতা সেই ভবনটিকে ভাঙচুর করে জ্বালিয়ে দেয় যা মুজিবের স্মৃতি সমৃদ্ধ।১৯৭১ সালের ৭ মার্চ, পাকিস্তান সরকার ও সেনাবাহিনীর অত্যাচারের প্রতিবাদে, ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে এক ঐতিহাসিক ভাষণে তিনি ঘোষণা করেন, “রক্ত দিয়ে রক্তের ঋণ শোধ করতে আমি প্রস্তুত।” এই ভাষণ ছিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সূচনা। এর…